বাংলায় ব্রাম্মন্যায়নের শুরু এবং বৌদ্ধ ধর্মে তাঁর প্রভাব

আমরা আগে পর্বে দেখেছি, বংগের মত মগধ নামটা আপন দেওয়া ছিলনা। পশ্চিমের বৈদিক মানব গোষ্ঠি পূবের অচিনা অজানা অঞ্চলের বনিক ও গায়কদের মগধ বলে ডাকতেন, যার থেকে দক্ষিন বিহার মগধ নামে পরিচিতি পায়। বংগের ব্যাপারে এমনটা ঘটে নাই, কারন আশেপাশের বিস্তর মানুষের কাছে বাংলার এই এলাকার বসিন্দারা অচিনা অজানা ছিলেন না। তাদের স্বার্থের হিসাব নিকাশে আমরা/ওরা বিবেচনাটা বড় হয়ে উঠে নাই। এর পর আমরা আরও দেখেছি, পরিচিত হওয়ার পরও পশ্চিমা আর্য-ব্রাম্মনদের কাছে পুরা উত্তর-পুর্ব গাংগীয়-ব্রম্মপুত্র অববাহিকা অঞ্চলের আলাদা ইতিহাস চেতনা, ধর্ম, কালচার ও সভ্যতার অনুগামী মূলবাসিদের সাধারন পরিচিতি থেকে যায় প্রাচ্য বলে।

মগধ, বংগ, প্রাচ্য ইত্যাদি আপন কিংবা অপরের দেওয়া পরিচিতির পিছনে বৈদিক ও মূলবাসি সভ্যতা ও স্বার্থের হেরফের বোধের উৎপত্তি যেমন পারস্পরিক ভৌগলিক অবস্থানকে ডিংগিয়ে ঘটে নাই, তেমনি তাদের ভবিষ্যতের ফিতনা ফসাদের মঞ্চ সেই পারস্পরিক ভৌগলিক অবস্থানের বা¯তবতাকে মাড়িয়ে তৈরি হয় নাই। এই কারনে আমরা ইতিহাসে এই ফিতনা ফসাদের পহেলা মঞ্চ রুপে দেখি খৃস্ট্রপুর্ব পাচ থেকে দুই শতকের মগধকে এবং সবচে শেষ মঞ্চ হিসাবে পাই খৃস্ট্রীয় সাত থেকে ১২ শতকের বাংলাকে। এই দুই মঞ্চের মাঝ খানে আরও নানান ছোট বড় মঞ্চে উপমহাদেশের ইতিহাসের নাটক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

খৃস্ট্রীয় চার থেকে ছয় শতকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত স্থায়ী খোদ মগধের পাটলিপুত্রের সিংহাসনে বসা ব্রাম্মন সমর্থিত গুপ্ত রাজাগনের দুসরা সম্রাট সমুদ্রগুপ্ত (রা. ৩৩৫-৭৫ খৃ.) সারা উত্তর ভারতে অসুর বিজয় সারেন এবং এই জয় করা এলাকার নাম দেন আর্যাবর্ত বা আর্য নিবাস [সুনীল চট্টোপাধ্যায় ১৯৯২(২): ৩৬৭]। তিনি ও তার পরের সম্রাটরা এই অঞ্চলে বুদ্ধ, জৈন মূলবাসিদের আর্য-ব্রাম্মন্যবাদি সমাজ ও সভ্যতার আওতাধীন করার কাজটা [সুনীল চট্টোপাধ্যায় ১৯৯২(১): ৩৮৫] পুরা করার জন্য ব্রাম্মন অনুমোদিত দেবদেবীর অসংখ্য মন্দির গড়েন[সুনীল চট্টোপাধ্যায় ১৯৯২(১): ৩৬০-৬১; ১৯৯২(২): ২০৩-০৬; S.N. Sen 1988: 193]।

সনাতন ধর্মের (হিন্দু) বর্ণবাদ সিস্টেম
সনাতন ধর্মের (হিন্দু) বর্নভেদ ব্যবস্থা

মন্দিরের পুরোহিত ও অপুরোহিত রাজ কর্মচারী সহ সব রকমের ব্রাম্মনদের জমি দান করে খাজনা বসাবার ও শাস্তিদেওয়ার চিরস্থায়ী অধিকার দিয়ে সাধারন মানুষ, বিশেষ করে মূলবাসিদের মাথার উপর বসান [D.D. Kosambi 1991: 172; Jhunu Bagchi 1993: 85; নীহাররঞ্জন রায়, ১৯৯৩: ১৮১-৮২; সুনীল চট্টোপাধ্যায় ১৯৯২(১): ১২০-২১, ৪০২] এবং বর্নভেদ ব্যবস্থা কার্যকর করা  সহ নানা উদ্যোগ নেন [Romila Thapar 1990: 138;  অতুলচন্দ্র রায় ১৯৯৩ (১): ২০৫]। এজন্য তাদের এক বিরাট প্রশাসনিক যন্ত্র গড়তে হয় এবং সরকারি জমা খরচের বাড়ন্ত ঘাটতি পুরন করার জন্য মুদ্রায় খাদ মিশাবার পরিমান ধাপে ধাপে বাড়াতে হয় [সুনীল চট্টোপাধ্যায় ১৯৯২(১): ৩৫০-৫১; S.N. Sen 1988: 182-84; অতুলচন্দ্র রায় ১৯৯৩(১): ২০১, নীহাররঞ্জন রায় ১৯৯৩: ১৬১-৬২]।

ফলে  আভ্যন্তরীন বানিজ্য কমতে থাকে, শহর গুলা ক্ষয়ে পড়ে এবং গ্রাম গুলা হয়ে উঠে আর্থিক লেন দেন ও বৃহত্তর সংহতি বোধ হারা পরিবারের হররোজ খাওয়ার ফসল চাষে মগ্ন একেকটা জনবসতি [সুনীল চট্টোপাধ্যায় ১৯৯২(১): ৪০৩, ১৯৯২ (২): ১১৯]। এর আগে ব্রাম্মন নিয়ন্ত্রিত দাক্ষিনাত্যের সাতবাহন সাম্রাজ্যে একই ধরনের রাষ্ট্রনীতির একই রকম ফল মিলেছিল।যেহেতেু গুপ্ত সম্রাটগন ও তাদের ব্রাম্মন নীতি নির্ধারকরা জেনে শুনেই এসব কৌশল অনুকরন অনুসরন করেছিলেন, তাই এসব সামাজিক ও আর্থিক অবক্ষয়, অবনতি অযাচিত ছিল মনে করার কারন নাই।

খৃস্ট্রপুর্ব চার শতকে পানিনি যখন মূল আর্যদের সাহিত্যিক ভাষা ছন্দদশাকে সংস্কৃতের রুপ দেন, তখনই কার্যত তিনি তাকে ‘ব্রাম্মনের ব্যবহার করার দিক নির্দেশক কালচারেল সফটওয়ার রুপি এক ধরনের গোপন সাংকেতিক ভাষা’ বানিয়ে দেন( David Ludden 2002: 20)।বিনয়-পিটক থেকে জানা যায়, গোতমা বুদ্ধ ছন্দদশায় তার মতামত প্রচার করতে ভিক্ষুদের মানা করেছিলেন [T.W. Rhys-Davis > E.J. Rapson (ed.) 1922: 186, বি সংঘরকখিত > A.L. Basham, 1984:88]।

বুদ্ধ ও জৈন লেখকরা প্রাচ্য বা পালি ভাষায় লেখতেন। অন্যদিকে প্রবল বিরোধীতা সত্বেও ব্রাম্মন লেখকরা সংস্কৃত ছাড়া অন্য কোন ভাষায় লেখতে রাজি হন নাই। বরং তাদের বানানো মহাযানি বুদ্ধদের শুরু থেকেই সংস্কৃত ভক্ত করে নিয়েছিলেন। আরও পরে জৈনরাও একই পথ ধরেন।   

গুপ্ত সম্রাটরা সংস্কৃতকে রাষ্ট্রভাষা বানিয়ে ব্রাম্মন্যবাদের বুদ্ধিবৃত্তিক প্রভাব বাড়াবার প্রক্রিয়াকে আরও জোরদার করেন। যে কৌশল থেকে খৃস্ট্রীয় পহেলা শতকে আনুষ্ঠানিক ভাবে মহাযান বানানো হয়েছিল, তারই অনুসরনে গুপ্ত সম্রাটদের উদ্যোগে নালন্দা গড়া হয় (Charles Allen 2002: 223; Pushpa Niyogi 1980: 87-92)।ব্রাম্মন্যবাদি আইন কানুন দড় ভাবে চালু করার জন্য একদিকে নয়া নয়া স্মৃতি গ্রহ্ন রচনা করে বেদ মানতে নারাজ নাস্তিক’ বুদ্ধ ও জৈনদেরকে রাজ ক্ষমতা পাওয়ার অযোগ্য করা হয়(বংকিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৯৯৯: ২০১, ২১৭)।

অন্যদিকে সিন্ধু সভ্যতা আমলের যুগ সাধনার অন্যতম ধারা শিব উপাসনার ঐতিহ্যের আবছায়ায় খৃস্ট্রপুর্ব দুই শতকে গড়া পশুপথ ধর্মের অনুসারীদের ব্রাম্মন্যবাদি ধর্ম ও রাষ্ট্র ক্ষমতার অংশীদার করা হয় [Probodh Chandra Bagchi > R.C. Majumdar (ed.) 2006: 404-07)।

এর পাশাপাশি বর্নাশ্রম ধর্ম, সংস্কৃার ও সংস্কৃত ভাষার প্রভাব বলয়ে নিয়ে আসা মূলবাসিদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য চেতনা পাল্টাবার জন্য ভগবত,স্কন্ধ, মৈৎষ্য, বায়ূ, ও ব্রম্মান্ড পুরান সহ অনেক গুলা পুরান রচনা করা হয় [অতুলচন্দ্র রায় ১৯৯৩(১): ২০৬]।

বুদ্ধ এথিক্স ও মরেলিটির প্রতিশেধক রুপে কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র-এর আংগিক ও সাতবাহন রাজ মহলের যৌন জীবনের উদাহরনধারি নয়্যায়িক বৎসায়ন-এর লেখা কামসূত্র এক সম্ভোগপ্রিয় জীবন দর্শন প্রচার করে। এর সাথে জ্যোতির্বিদ বরামিহির সৌর মন্ডলের নানা গ্রহকে মানুষের বাচা মরা ও সফলতা বিফলতার নিয়ন্ত্রক বানিয়ে লোকের মনে এক ধরনের অসহায়তা বোধ ও সর্বদর্শিন ব্রাম্মন গনক নির্ভরতার আরেক নয়া ধারা চালু করেন( S.N. Sen 1988: 192)।সংস্কৃত নাটক ও কাব্যে বুদ্ধ ও বুদ্ধ ধর্মের গীবত ও বর্নাশ্রম ধর্মের জয় জয়কার করার সাথে সাথে আবৃতি নাটক, নাচ গান ও মদ মেয়ে উপভোগের এই সম্ভোগপ্রিয় কালচারকে সব খানে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ‘নাগরাকা’দের উৎসাহ যোগায় (D.D. Kosambi, 1991: 191)।

মোটকথা, গুপ্ত আমল ছিল সারা উত্তর ভারতের বুদ্ধ ধর্ম ও ধর্মীদের জন্য এক চরম বিপদের সময় (S.N. Sen 1988:68)।দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের(রা. ৩৭৫-৪১৫ খৃ.) রাজত্বের সময় চীনা ভিক্ষু ফা-হিয়েন গোতমা বুদ্ধের নিব্বান ভূমি বুদ্ধগয়াকে জংগলে ঢাকা এবং তার জন্ম ভূমি কাপালিবাস্তু ও মৃত্যস্থল কুশিনারাকে জন শূন্য দেখতে পান [অতুলচন্দ্র রায় ১৯৯৩(১): ১৯৩]।শুধু বুদ্ধরাই নন, এই সময় গুপ্ত সাম্রাজ্যে জৈনদের সংখ্যাও বড় রকম ভাবে কমে যায় [সুনীল চট্টোপাধ্যায় ১৯৯২(২): ১৪৯]।এমনকি মহাযানি পন্ডিত ভাসুবন্ধু তার সংস্কৃতে লেখা অভিধর্মকোশ বইয়ে বুদ্ধ ধর্মের আশু পতনের ডয়ের কথা বলেন (Edward Conze,1988: 55)।এই ছিল উত্তর ভারতের অবস্থা। তখনকার ওই অবস্থায় বাংলার হাল কি ছিল?

বাংলার অবস্থা

এলাহাবাদ পিলার ইন্সক্রিপশন মতে সমুদ্র গুপ্তের অসুর বিজয়ের বিজিত রাজাদের এক জন ছিলেন তখন থেকে রাঢ় বনে যাওয়া আগেকার লাড অঞ্চলের পুস্করনের রাজা চন্দ্রবর্মা। মৌর্য যুগের মত পন্ড্র তথা উত্তর বাংলাও গুপ্ত সাম্রাজ্য ভূক্ত ছিল। এক মাত্র বংগ সমতট নাম নিয়ে করদ রাজ্য রুপে আলাদা থাকে (নীহাররঞ্জন রায়  ১৯৯৩: ৩৬০)।বরেন্দ্র নাম নিয়ে পন্ড্রু উপরিক পদবিধারি একজন প্রশাসকের অধীন ছিল।পরে পদটা বংশানুক্রমিক হয়ে পড়ে ও পদধারিরা উপরিক-মহারাজা হয়ে পড়েন [সুনীল চট্টোপাধ্যায় ১৯৯২(১): ৪০২-০৩; S.N. Sen 1988: 209-10; অতুলচন্দ্র রায় ১৯৯৩(১): ২০২]।তবে খেয়াল করার মত যে, ছয় শতকে বরাহমিহির তার বৃহৎসংহিতা-য় গুপ্ত শাসনাধীন পন্ড্রকে পানিনির মত গৌড় বলে পরিচয় দেন (অতুল সুর ২০০১: ২৯)।

ছয় শতকের শুরুতে কুমিল্লার কাছে একটা মহাযানি বিহারকে দেওয়া ভূমিদান সংক্রান্ত এক ইন্সক্রিপশন থেকে সমতটে বন্যগুপ্ত নামে এক গুপ্ত প্রশাসকের খোজ পাওয়া যায়। কিন্তু তার আগে বা পরে এই অঞ্চলে আর কোন গুপ্ত শাসকের খবর মিলে না। বলার মত যে, এটাই ছিল বাংলায় গুপ্ত সম্রাট কিংবা প্রশাসকের কোন বুদ্ধ প্রতিষ্ঠানকে ভূমি দানের একমাত্র নজির(Puspha Niyogi 1980: 80)।   সম্ভবত কিছু অংশ গুপ্ত সামন্ত মালবের যশধর্মার সল্প স্থায়ী মধ্যদেশি সাম্রাজ্যের দখলে চলে যাওয়ায় সমতটে বন্যগুপ্ত টিকতে পারেন নাই।

সে যাই হউক, কিছু দিনের ভিতর গুপ্ত পদবিধারি গুপ্তদের আরেক সামন্ত পরিবার মগধ দখল করেন এবং উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম বাংলা তাদের হুকুমতে নিয়ে নেন। আগের গুপ্তদের মত পরের গুপ্তরাও ছিলেন ব্রাম্মন্যবাদি এবং তারাও ব্রাম্মন বসতি বাড়ানো সহ আগেকার অন্যান্য গুপ্ত প্রচেষ্টা জারি রাখেন।  তখনকার ভূমিদান সংক্রান্ত ইন্সক্রিপশন গুলা থেকে দেখা যায়, ছয় শতকের শুরু পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ব্রাম্মন বসতি বাড়াবার প্রচেষ্টা বরেন্দ্রে সীমিত ছিল।কিন্তু ছয় থেকে সাত শতকের মধ্যে এর বিস্তার রাঢ়েও ঘটে(Pushpa Niyogi, 1967)। এটাই হল বেশির ভাগ ভারতীয় জাতীয়তাবাদী ঐতিহাসিকদের বহুল প্রচারিত বাংলার ‘আর্যায়ন’-এর প্রকৃত শুরু হওয়ার সময়কাল।

গুপ্ত আমলে রচিত অগ্নি ও গরুড় পুরান মতে তখনও বাংলায় পুরাদমে দেশিভাষা চালু ছিল(মনীন্দ্র সমাজদার> আনিসুজ্জামান ১৯৮৭: ৩১৩-১৪)। এবার আমদানি করা ব্রাম্মনদের প্রভাবে ব্রাম্মন্য ধর্ম, সংস্কৃার এবং সংস্কৃত ভাষার

স্রোত সবেগে প্রবাহিত হইল। রামায়ণ, মহাভারত, পুরানকথা, বিচিত্র লৌকিক গল্প-কাহীণী ইত্যাদি সমস্ত সেই স্রোতের মুখে এদেশে আসিয়া পড়িয়া এদেশের প্রাচীনতম ধর্ম, সংস্কৃতি, ভাষা, লোককাহীণী সম¯ত কিছুকে সবেগে সমাজের একপ্রানতে অথবা নিম্নস্তরে ঠেলিয়া নামাইয়া দিল (নীহাররঞ্জন রায় ১৯৯৩: ৩৬৪)।

আর এসবের ফলে বাংলায়ও শুরু হয় খৃস্ট্রপুর্ব পাচ থেকে খৃস্ট্রীয় দুই শতকের মগধে ঘটা মূলবাসি বুদ্ধ ও আর্য-ব্রাম্মন ফিতনা ফসাদ।

বিবলিওগ্রাফি

আনিসুজ্জামান (সম্পাদিত),বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস,প্রথম খণ্ড, বাংলা একাডেমি, ১৯৮৭

চট্টোপাধ্যায়, সুনীল প্রাচীন ভারতের ইতিহাস, ২ খন্ড, কলকাতা, ১৯৯২

রায়, নীহাররঞ্জন,  বাঙ্গালীর ইতিহাস: আদিপর্ব, কলকাতা, ১৯৯৩

রায়, অতুচন্দ্র  ভারতের ইতিহাস, ২ খন্ড, কলকাতা, ১৯৯৩

সুর, অতুল, বাঙলা ও বাঙালীর বিবর্তন, কলকাতা, ২০০১

চট্টোপাধ্যায়, বঙ্কিমচন্দ্র বঙ্কিম রচনাবলী (সম্পা) যোগেশচন্দ্র বগাল, খন্ড ২, কলকাতা, ১৯৯৯

Allen, Charles The Buddha and the Sahibs: The Men Who Discovered India’s Lost Religion, London, 2002

Basham, A.L. A Cultural History of India, Delhi, 1984

Bagchi, Junu,  The History and Culture of the Palas of Bengal and Bihar (cir. 750A.D.-cir1200 A.) , Abhinav Publications, 1993

Conze, Edward A Short History of Buddhism, London, 1988

Kosambi, D.D. The Culture and Civilisation of Ancient India in Historical Outline, Lahore, 1991

Ludden, David India and South Asia: A Short History, Oxford, 2002

Majumdar, Rameshchandra ed. The History of Bengal, volume 1, Dhaka, 2006

Niyogi, Pushpa Buddhism in Ancient Bengal, Kolkata, 1980

Niyogi, Pushpa, Brahmanic settlements in different subdivisions of ancient Bengal, Indian Studies: Past & Present, 1967

Rapson, E.J. The Cambridge History of India vol.1, Ancient India, Cambridge, 1922

Sen, S.N. Ancient Indian History and Civilisation, Kolkata, 1988

Thapar, Romila A History of India, vol. 1, London, 1990

Further Reading

Chowdhury, M. Abdul Mu’min, The Rise and Fall of Buddhism in South Asia: A Study in History, London, 2008

প্রাসঙ্গিক পোষ্ট

ব্রাহ্মণদের সাথে বৌদ্ধদের দন্ধে ঐতিহাসিক নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস হয়।কিন্তু উপনিবেশ সময়ে এসে এর দায়ভার মুসলিম সেনাপতি বখতিয়ার খলজি’র উপর চাপানো হয়। এই বিষয়ে জানতে পড়ুন

নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়, ইতিহাসের রাজনীতি ও বখতিয়ার খলজির বিহার অভিযান 

মূলবাসি বৌদ্ধ ও আর্য-ব্রাম্মন ফিতনা ফসাদে ভারতবর্ষে বৌদ্ধ ধর্মের অবলুপ্তি ঘটে, এই বিষয়ে জানতে পড়ুন 

ভারতবর্ষে বৌদ্ধ ধর্মের অবলুপ্তির কারণ– . হাবিব সিদ্দিকী

বাংলায় ব্রাহ্মণ্যবাদের অত্যাচারে অতিষ্ট মূলবাসি বৌদ্ধদের বড় অংশ ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়, জানতে পড়ুন

যেভাবে বৌদ্ধ বাংলা রুপান্তরিত হল মুসলিম বাংলায় 

উপনিবেশ সময়ে এসে ব্রাহ্মণ লেখক সাহিত্যিকগন ৮০০ বছরের মুসলিম ইতিহাসকে বিকৃত করে এবং বৌদ্ধদের উপর অত্যাচারকে মুসলমানদের উপর চাপায়। এটা করতে গিয়ে বৌদ্ধ ধর্ম গুরু গৌতম বুদ্ধ ও বৌদ্ধ ধর্ম নিয়ে নতুন ইতিহাস রচনা করে। দাবী করে  গৌতম বুদ্ধ হিন্দু ধর্মেরই একজন রাজা ছিলেন। জানতে পড়ুন; 

প্রাচীন বাংলার সমাজে বৌদ্ধ ধর্ম এবং গৌতম বুদ্ধের উপনিবেশিক নির্মাণ এবং

The Unmaking of Gotama Buddha

বাংলায় বৌদ্ধধর্মের হারিয়ে যাওয়া এবং বাঙালী মুসলমানের শিক্ষা

Facebook Comments
Dr. M. Abdul Mu’min Chowdhury

Dr. M. Abdul Mu’min Chowdhury

Dr. M. Abdul Mu’min Chowdhurywas born in 1945 in Sylhet, Bangladesh. He is a Graduate of the University of Dhaka and Obtained PhD degree from University of Exeter, UK.

He held academic appointments at the Agricultural University, Mymenshing, University of Dhaka and University College London. He was teaching Sociology at the Dhaka University between 1969 and 1973.He was house tutor of Iqbal Hall during 1971.

His PhDwas on Anthropology and research topic covered "Household, Kin and Community in Bangladesh Village". His other works include 'Behind the Myth of Three Million', 'Operation Bangladesh' 'The Rise and Fall of Buddhism in South Asia-a study in History'. His article published in National and International media outlet. He is currently working on History of Bangladesh.

DrChowdhury currently lives in UK.
Dr. M. Abdul Mu’min Chowdhury