বাংলা ভাষার নূতন পরিচয়- শেষ পর্ব

লিখেছেনঃ কবি গোলাম মোস্তফা

পর্ব ১ঃ বাংলা ভাষা আর্য ভাষা নয়   পর্ব ২ঃ আর্য-থিওরীর অসারতা  পর্ব ৩ঃ মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য 

এতদিন ফার্সী ভাষা রাজভাষা ছিল, এখন তাহার স্থলে ইংরাজী ভাষাকে তাহারা রাষ্ট্রভাষা রূপে ঘোষণা করিল।বাংলা ভাষাকেও হিন্দুয়ানী রূপ দিয়া মুসলমানদিগের শিক্ষা ও প্রগতির পথে মস্ত বড় বাধার সৃষ্টি করিল। কিরূপ করিয়া এই পটপরিবর্তন ঘটিল, চিন্তাশীল লেখক সজনীকান্ত দাস তাহা নিপুণভাবে বর্ণনা করিয়াছেন।তিনি বলেনঃ

“১৭৭৮ খৃষ্টাব্দে হালহেড এবং পরবর্তীকালে হেনরি গিটস ফরষ্টার ও উইলিয়াম কেরী বাংলা ভাষাকে সংস্কৃত জননীর সন্তান ধরিয়া আরবী-পারসীর অনধিকার প্রবেশের বিরুদ্ধে রীতিমত ওকালতি করিয়াছেন এবং প্রকৃত পক্ষে এই তিন ইংলণ্ডীয় পণ্ডিতের যত্ন ও চেষ্টায় অতি অল্পদিনের মধ্যে বাংলা ভাষা সংস্কৃত হইয়া উঠিয়াছে। ১৭৭৮ খৃষ্টাব্দে এই আরবী-পারসী নিসূদন-যজ্ঞের সূত্রপাত এবং ১৮৩৭খৃষ্টাব্দে আইনের সাহায্যে কোম্পোনীর সদর মফস্বল আদলত সমূহে আরবী-পারসীর পরিবর্তে বাংলা ও ইংরেজীর প্ৰবর্তনে এই যজ্ঞের পূর্ণাহুতি ।” [বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস]

gulam-mostafaএই কাজে ইংরাজ পাদ্রীদের সহিত যোগ দিলেন মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার, রামনাথ বিদ্যাবাচস্পতি, রামরাম বসু এবং আরও অনেকে।তখন বাংলা ভাষা হইতে আরবী-ফার্সী শব্দ বর্জন করিয়া ভাষাকে সংস্কৃতায়িত করা হইল।পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রমুখ হিন্দু মনীষীরা এই কার্যে অগ্রণী হইলেন।ফলে অল্পদিনের মধ্যেই বাংলা ভাষা রূপান্তরিত হইয়া গেল।এইখান হইতেই বাংলা ভাষার নবযুগ আরম্ভ হইল।ইহাকে “হিন্দু রেনেসাঁর” যুগও বলা যাইতে পারে।বিদ্যাসাগর মহাশয়ের হাতে বাংলা ভাষা নিম্নের রূপ ধারণ করিলঃ

“কিয়ত্ক্ষণ এইরূপ আক্ষেপ করিয়া লক্ষণ উচ্ছ্বসিত শোকাবেগের সম্বরণ পূর্বক সীতার চৈতন্য সম্পাদনে সমর্থ হইলেন।চৈতন্য সঞ্চার হইলে সীতা কিয়ৎক্ষণ স্তব্ধভাবে থাকিয়া স্নেহভরে সম্ভাষণ করিয়া লক্ষণকে বলিলেন, বৎস, ধৈর্য্য অবলম্বন কর।আর বিলাপ ও পরিতাপ করিও না। সকলেই অদৃষ্টাধীন।আমার অদৃষ্টে যাহা ছিল তাহাই ঘটিয়াছে।আমি তপোবনে থাকিয়া এই উদ্দেশ্যে ঐকান্তিক চিত্তে তপস্যা করিব- যেন জন্মান্তরেও তিনি আমার পতি হন ৷” [সীতার বনবাস]

এই ভাষা ও ভাবধারা যখন সরকারী স্কুলসমূহে পাঠ্য হইল, তখন মুসলমানেরা এ চরম সংকটের সম্মুখীন হইল। এ ভাষা কিছুতেই তাহারা প্রাণ দিয়া গ্রহণ করিতে পারিল না।একবাক্যে তাহারা তাহাদের সন্তান-সন্ততিদিগকে শিক্ষা দিতে অসম্মতি জানাইল।

William Hunter তাঁহার Indian Musalmans নামক গ্রন্থে তৎকালীন বাংলার মুসলমানের মনোভাব বর্ণনা করিতে গিয়া বলিতেছেন: “The language of our Government schools, in Lower Bengal is Hindu and the masters are Hindus. The Musalmans with one consent spurned the instruction of their boys through the medium of this language of idolatry.”

কিন্তু ভাগ্যবিড়ম্বনায় কালে কালে মুসলমানদিগকে ইংরাজী ভাষাও শিখিতে হইল, সংস্কৃত-বাংলাও শিখিতে হইল। এই পণ্ডিতী বাংলায় বুদ্ধির দীপ্তি ও মার্জিত রুচিবােধ থাকিলেও, এ ভাষা জনসাধারণের বোধগম্য হয় নাই। এই ভাষাকে লক্ষ্য করিয়া বিখ্যাত ভাষাতত্ত্ববিদ Grierson মন্তব্য করিয়া গিয়াছেন:

“Literary Bengali, as now known, is the product of the present (19th) century. It direct cultivators were the Calcutta pandits who, however well-meaning, have ruined the language by their learning. “

অবশ্য এই পণ্ডিতী বাংলার বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া আরম্ভ হইতে বেশী বিলম্ব ঘটে নাই। সংস্কৃত পণ্ডিতেরা বাংলা ভাষাকে একটা গতিহীন অচলায়তনে পরিণত করিতে উদ্যত হইয়াছিল। ঠিক সেই সময়েই ভাগ্যক্রমে মাইকেল মধুসূদন দত্তের আবির্ভাব হইল। উদার দৃষ্টিভঙ্গি ও পাশ্চাত্যধর্মী মন লইয়া তিনি বাংলা ভাষার সেবার আত্ম-নিয়ােগ করিলেন এবং অল্পকালের মধ্যেই বাংলা ভাষাকে গণ্ডী-সংকীর্ণতার বন্ধন হইতে মুক্ত করিয়া বিশ্বসাহিত্যের সহিত যুক্ত করিয়া দিলেন।মাইকেলই এ যুগে আর্য-বাংলার বিরুদ্ধে প্রথম মুক্তিযোদ্ধা এবং সর্বশ্রেষ্ঠ বিপ্লবী কবি।তিনি না আসিলে বাংলা ভাষা কোন ধারায় কোন সমুদ্রে গিয়া বিলীন হইত তাহা ভাবিবার বিষয়।

ইহার পর প্যারীচাঁদ মিত্র, বঙ্কিম, রবীন্দ্রনাথ ও শরত্চন্দ্রের হাতে বাংলা ভাষা আরও সহজ ও সরল হইয়াছে, সন্দেহ নাই; তবু ইহার সাহিত্য-রূপ এখনও জনগণের দুর্বোধ্য হইয়াই আছে। শ্রীযুক্ত নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের মতো অতি আধুনিক লেখকও একথা স্বীকার করেন।তিনি বলেন:

“উনবিংশ শতাব্দীতে বাংলা ভাষা যে খাত বদল করেছিল আজও সেই পথেই তার স্রোত বইছে। ইংরেজ এসেছে, তার ভাষা ও আঙ্গিকের প্রভাব এসেছে, বাংলা-রীতি তাতে আরও সমৃদ্ধি লাভ করেছে; কিন্তু ঊনবিংশ শতকের সেই প্রথম পর্বেই জনসাধারণের ভাষার সঙ্গে তার যে পার্থক্য রচিত হয়েছে আজও তা সমান্তরাল সরল রেখার মতই চলেছে।আজ যখন বাঙালী লেখকের রচনা জনমনস্পর্শী হয়নি অভিযোগ ওঠে তখন সে অভিযোগের পেছনে নাগরিক সংস্কৃতির স্বাতন্ত্রই নয়, দেড়শ বছর আগে বাংলা ভাষার নববিধানও যে তার জন্য কতটা দায়ী, সে কথাও ভেবে দেখবার সময় এসেছে।”

এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই আমাদের বর্তমান বাংলা সাহিত্য রচিত হওয়া উচিত।

ঊনবিংশ শতাব্দীর মুসলিম-সাহিত্য

রাজ্যহারা মুসলমানেরা যখন বুঝিতে পারিল যে, ইংরাজী ও বাংলা না শিখিয়া তাহাদের গত্যন্তর নাই, তখন তাহারা এইদিকে মনোযোগ দিল।এই নতুন যুগের প্রথম মুসলিম সাহিত্য-স্রষ্টা হইতেছেন মরহুম মীর মোশারফ হোসেন (১৮8৭-১৯১১)।তাঁহার প্রণীত ‘বিষাদ-সিন্ধু’ সাধু ভাষায় লিখিত হইলেও তাহার ভাষা যে কতো সাবলীল ও প্রাণবন্ত, নিম্নের উদ্ধৃতি হইতেই তাহা বুঝা যাইবে:

“রক্ত দর্শনে হোসেন চমকিয়া উঠিলেন। আজ ভয়শূন্য মনে ভয়ের সঞ্চার হইল।সভয়ে চতুর্দিকে চাহিয়া দেখিলেন: আবদুল্লাহ্ জেয়াদ, ওমর, সীমার এবং আরও কয়েকজন সেনা তাঁহার চতুর্দিকে ঘিরিয়া যইিতেছে।সকলের হাতেই তীর-ধনু।ইহা দেখিয়াই তিনি চমকিয়া উঠিলেন।যে সমুদয় বসনের মাহাত্ম্যে তিনি নির্ভ্য-হৃদয়ে ছিলেন, তৎসমুদয় এখন পরিত্যাগ করিয়াছেন; তরবারি, তীর, নেজা, বল্লম, বর্ম, খঞ্জর কিছুই তাঁহার সঙ্গে নাই।কেবল দুইখানি হাত মাত্র সম্বল।অন্যমনস্কভাবে তিনি দুই এক পদ করিয়া চলিলেন, শত্রুরাও পূর্ববৎ ঘিরিয়া তাঁহার সঙ্গে সঙ্গে চলিল ৷” [বিষাদ-সিন্ধু]

কিন্তু মুসলিম কাব্য-সাহিত্য ও পুঁথির ধারা তখনও মন্থর গতিতে চলিতেছিল । এই সময়কার জনৈক মুসলিম কবির রচিত নিম্নের ব্যঙ্গ কবিতাটিতে কিছুটা আধুনিকতার ছাপ এবং উন্নত রসবোধের পরিচয় পাওয়া যায় । কবিতাটি ইনকামট্যাক্সকে লক্ষ্য করিয়া রচিতঃ

“বালেশ্বর বিচে গড় পদ্দা পরগনা
ভিক্টোরিয়া শাহাজাদী যার মালিকানা।
লেয়সন করোসন দুই লাট বন্দি,
খাজানা দাখিল করি মোরা হাত বান্ধি।
জরিপেতে বন্দবস্ত হইয়াছে যার
বহুত মশকেলে দিতে হবে রাজকর !
তাহাতে যাহোক করি দুঃখেতে গুজরাণ
এইরূপে দিনপাত চালান রহমান।
রাতদিন দোওয়া করি মহারাণীর তরে,
রাজ্যবৃদ্ধি হয় তার খোদাতালা করে ৷
এমন আমল দুটা হয় না জাহানে
এক জাগায় রাখে বাঘ বকরী দুইজনে।
কেহ কারো জবরদস্তি করিতে না পারে,
কায়েম হুকুম যে আইন অনুসারে।
এই মতে কতদিন যায় গুজারিয়া
পালেন সবার তরে মেহের করিয়া।
তাহাতে আইল এক এমন রাক্ষস
তাহার বিখ্যাত নাম ইনকাম ট্যাকস।”

এই ধারা এখনও বাঁচিয়া আছে।নজরুল ইসলামের হাতে ইহার রূপান্তর ঘঢিয়াছে।আরবী-ফার্সী শব্দ দ্বারা, বলিষ্ঠ আঙ্গিক দ্বারা এবং ইসলামী ভাবধারা দ্বারা তিনি বাংলা ভাষাকে প্রচুর শ্রী ও সমৃদ্ধি দান করিয়াছেন।

উপসংহার

প্রাগৈতিহাসিক কাল হইতে আধুনিক কাল পর্যন্ত বাংলা ভাষার একটা সংক্ষিপ্ত পরিচয় এতক্ষণ আমরা দিলাম। এই পরিচয়ে দেখিলাম বাংলা ভাষা আর্য ভাষা নয়, অনার্য ভাষা। অনার্য ভাষার অর্থে অসভ্য বর্বর অস্পৃশ্যদের ভাষা নয়-আর্য-বহির্ভূত নরগােষ্ঠীর ভাষা; অন্য কথায় বাংলার ভাষা-বাঙালীদের ভাষা। অবশ্য একথা স্বীকার্য যে, পরবর্তীকালে বাংলা ভাষা সংস্কৃত ভাষা দ্বারা কিছুটা প্রভাবান্বিত হইয়াছে।কিন্তু সে প্রভাব ‘অত্যন্ত নগণ্য’ এবং “অত্যন্ত আধুনিক’।ডক্টর মুহম্মদ এনামুল হক্ বলেন:

“বর্তমান বাংলা ভাষার উপর সংস্কৃতের প্রত্যক্ষ প্রভাব যেমন নগণ্য, তেমনই অত্যন্ত আধুনিকও বটে ৷” [মুসলিম বাংলা সাহিত্য]

বাংলা ভাষার সংগঠনে সংস্কৃত হইতে যতটুকু সাহায্য লাভ করিয়াছি, তাহা আমরা অবশ্যই স্বীকার করি।কিন্তু বাংলা যে সংস্কৃতের দুহিতা এবং কাজেই আর্যভাষা এই দাবী অস্বীকার করি। আর্যামির গোঁড়ামি হইতে বাংলা ভাষাকে আমরা মুক্ত রাখিতে চাই।ইহইি হইবে বাংলা ভাষার কল্যাণ ও সমৃদ্ধির পথ।

আজ বাংলা ভাষা দ্বিধা-বিভক্ত।পশ্চিম বঙ্গের বাংলা এবং পূর্ব পাকিস্তানের বাংলা এক হইয়াও এক নয়। উভয়ের গতি ও লক্ষ্য বিভিন্ন। ইহাতে আমাদের আনন্দের কারণ আছে। এখানকার বাংলা সংস্কৃতের আওতা হইতে অনেক দূরে থাকিবে।সংস্কৃত একটি মৃতভাষা; সুতরাং মৃতের সহিত যাহারা যত বেশী মিতালী করিবে, তাহারা ততাে বেশী আড়ষ্ট ও প্রাণহীন হইবে।

পাক-ভারত উপমহাদেশের বহু প্রাদেশিক ভাষা রহিয়াছে ৷ যেমন বাংলা, উর্দু, হিন্দী, গুজরাটী, মারাঠি, আসামী ইত্যাদি।ইহাদের মধ্যে বাংলা ও উর্দুই যে শীর্ষস্থানীয়, একথা নিঃসন্দেহে বলা যায়।বাংলার কবি রবীন্দ্রনাথ নোবেল প্রাইজ লাভ করিয়াছেন।উর্দুর কবি ইকবাল আজ সারা জগতের বিপ্লবী কবি ও দার্শনিক।এই দুই ভাষাতেই বহু বিশিষ্ট মনীষী জন্মগ্রহণ করিয়াছেন।এ গৌরব এক হিসাবে ইসলামের। উর্দু ও বাংলা যে আজ এত প্রগতিশীল ও জীবন্ত তাহার কারণ যে উহারা আর্য ভাষা নহে; অন্য কথায় সংস্কৃত হইতে উহাদের জন্ম হয় নাই। সংস্কৃত হইতে যে ভাষা যতো দূরে রহিয়াছে, সে ভাষা আজ ততো জীবন্ত, ততো প্রগতিশীল।

পাক-ভারত উপমহাদেশের সমস্ত আঞ্চলিক ভাষার মধ্যে আজ যে উর্দু ও বাংলা ভাষাই সর্বাপেক্ষা উন্নত, বলিষ্ঠ ও ব্যাপক,তাহার অন্যতম প্রধান কারণ এই যে, ইহাদের প্রকৃতি ও রক্তে আছে ইসলামের বিশ্বজনীন উদারতা ও মানবিকতার ছাপ।প্রচারধর্মী সাম্যবাদী মানুষেরাই ইহাদের জন্মদাতা ও পালয়িতা।

বাংলা ভাষার গতিপথ লক্ষ্য করিলেও এ সত্য সহজেই বুঝা যায়।দ্রাবিড়, বৌদ্ধ, সুলতানী আমল পার হইয়া সে আসিল বৃটিশ আমলে। এখানে আসিয়া পাদ্রী ও পণ্ডিতদের ষড়ষন্থে সে অনেকখানি স্বাধীনতা হারাইয়া ফেলিল বটে, কিন্তু মুক্তির নূতন পথ ধরিয়া বাহিরে আসিতে তাহার বিলম্ব ঘটিল না।

এই মুক্তি-সংগ্রামে সাহায্য করিলেন মাইকেল, রবীন্দ্রনাথ, নজরুল ইসলাম প্রমুখ উদারধর্মী কবি-সাহিত্যিকেরা।পাকিস্তান আসিয়া তাহার রূপান্তর ঘটিয়াছে। সুখস্মৃতি ঘেরা পূর্ব পাকিস্তানেই তো তাহার আদি বাসভূমি।এখানে আসিবা মাত্রই সে আবার তাহার হৃতগৌরব ফিরিয়া পাইয়াছে।

উর্দুর পাশাপাশি বাংলা ভাষাও এখন পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা।এই গৌরব বাংলা ভাষা অন্যত্র লাভ করিতে পারে নাই। পূর্ব-পাক বাংলা সাহিত্যে এবারেও ইসলাম এক নূতন ভূমিকা গ্রহণ করিবে।ইসলামের সাম্য-মৈত্রী-স্বাধীনতা ও মহামানবতার বাণী এবং তাহার রূপ, রস ও সুর বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে প্রেরণা যোগাইবে এবং সম্ভাবনার এক নূতন দিগন্ত খুলিয়া দিবে।

[উৎসঃ গোলাম মোস্তফা, বাংলা ভাষার নূতন পরিচয়,  গোলাম মোস্তফা প্রবন্ধ সংকলন, আহমদ পাবলিশং হাউস, ঢাকা, ১৯৬৮ থেকে সংগৃহীত]

প্রাসঙ্গিক পোষ্ট

বাংলা ভাগে ভাষা ও সাহিত্যের রাজনীতি -নুরুল কবির

বঙ্গ-ভাষার উপর মুসলমানের প্রভাব– শ্রী দীনেশচন্দ্র সেন

মধ্যযুগের মহাকবি সৈয়দ সুলতান ও তার কাব্য প্রসঙ্গ

The word ‘Hindu’ in Gaudiya Vaisnava Text

মুসলমান বাংলা লিখিতে জানে না!– মহাকবি কায়কোবাদের তিক্ত সাম্প্রদায়িক অভিজ্ঞতা

Facebook Comments

Opinion matters, Please share your opinion